বেড_নং_১১১

দীপেন ভুইঞা
5 রেটিং
272 পাঠক

—’এ মা! ইস, কি সুন্দর! তোমার কাল ছুটি হয়ে যাবে? তুমি বাড়ি যেতে পারবে! ইস্ , আমাকে যে কবে ছাড়বেএ! ভাল্লাগেনা একদম, হুঁ হুঁ হুঁউ’!

শত যন্ত্রনার মাঝেও হেসে উঠতে ইচ্ছে করল মৌ’য়ের! কিন্তু হাসতে গিয়ে দেখে পিঠের ব্যাথাটা এখনও সম্পূর্ণ সেরে ওঠেনি! ওদিকে লাস্ট ভিজিটে আসা ডাক্তারবাবু নির্দেশ দিলেন,

—যে রকম বললাম, সেভাবেই চলবেন৷ আপাতত কোন সমস্যা নেই৷ আর থাকতে হবে না, আমি বলে যাচ্ছি কাল মর্নিঙেই রিলিজ করে দিতে৷ পনের দিন পর একবার এসে চেকআপ করিয়ে নেবেন’৷

ডাক্তারবাবুর চলে যাওয়া পথের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়েছিল মৌ, ঠিক তখনই আবার সেই পরিচিত গলা,

—কাল সকালে ছাড়বে! তার মানে কাল তুমি ঘর চলে যাবে! কি ভালো, কি ভালো! খুব আনন্দ হচ্ছে তোমার তাই না? বলনা, বলনা….

পাশের বেডের ভদ্রমহিলাটি গতকাল সকালে এসেছেন৷ গোটা শরীরে বয়সের ছাপ স্পষ্ট, কিন্তু সবসময় নিজেকে অষ্টাদশী প্রমাণের একটা প্রবল চেষ্টা মাঝে মধ্যেই হাসির উদ্রেক করে৷ যদিও খুব একটা বেশি কথা হয়নি তার সাথে, তবুও লাস্ট কয়েক ঘন্টায় এটুকুই অনুমান মৌয়ের৷

সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে কোমরে চোট, জ্ঞান ফিরে মৌ দেখে সে এই বেসরকারী হাসপাতালের বেডে৷ যদিও তার প্রবল আপত্তি উপেক্ষা করেই ডাক্তারবাবু তিনদিন নজরে রেখেছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ‘সাবধানে থাকবো’ আশ্বাস দিয়ে ছুটি মঞ্জুর করিয়ে নিতে পেরে খুশি মৌ৷ প্রথম দিন এই ডবল বেডের রুমটায় সে একা ছিল, গতকালই সকালে পাশের ভদ্রমহিলা এসেছেন৷ স্পষ্ট মনে আছে মৌয়ের, ভদ্রমহিলাকে যখন বেডে নিয়ে আসা হয় তখন ওনার আত্মীয় স্বজন কেউ ছিলেন না, এমনকি গতকাল থেকে আজ রাত্রি পর্যন্ত চারটে ভিজিটিং পিরিয়ড শেষ হওয়ার পরেও ওনার বাড়ির কেউই দেখা করতে আসেননি! অথচ পাশাপাশি প্রতিটা রুমে, প্রতিটা বেডের পেশেন্টদের সাথে দেখা করতে কত শত আত্মীয় স্বজন এসেছেন, মৌয়ের নিজের বাড়ির লোকই তো কতবার এসেছে৷

আর মাত্র কয়েকটা ঘন্টা, তারপরই তার ছুটি, বাড়ি চলে যাবে মৌ৷ এই শেষ বেলায় এসে আর কৌতুহল চেপে রাখতে পারলোনা, পাশের বেডের দিকে ফিরে বলে উঠলো,

—যতদুর শুনলাম, আপনার অপারেশন হবে৷ কিছু যদি মনে না করেন, একটা কথা জিজ্ঞাসা করি? আপনার বাড়িতে কে কে আছেন? না মানে, ভিজিটিং আওয়ারে কাউকে তো দেখি না! তাই, এমনিই জিজ্ঞাসা করলাম আর কি! প্লিজ ডোন্ট মাইন্ড!

—আমি তো একাই! আমার তো কেউ নেই, কে আসবে!!

একটা পরিণত, যন্ত্রনাক্লিষ্ট, অনুশোচনা কেমন যেন খান খান হয়ে ছড়িয়ে পড়ল ডবল বেডের কেবিনটায়৷ আর তার ঠিক পরমুহুর্তেই ভদ্রমহিলা আবারও তার চেনা ছন্দে ফিরে গেলেন, নিজের স্বাভাবিক সত্তাটাকে সযত্নে লুকিয়ে রেখে আগের মতই আহ্লাদে গলে গেলেন,

—আচ্ছা! আমাকে কেমন দেখতে বলোতো! সুন্দরী, তাই না?

বেঁচে থাকা শেষ কয়েক গোছা সোনালী চুল সামনের দিকে টেনে এনে, ঘাড়টা ইষৎ বাঁকিয়ে আড়চোখে তাকালেন মৌয়ের দিকে৷ নিজের করা প্রশ্নের উত্তরের আশায় মৌ তখনও নিরুত্তর৷

দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলেন হসপিটালের স্টাফ, স্বভাবজাত তীক্ষ্ন কন্ঠে ভদ্রমহিলাকে উদ্দেশ্য করে জানিয়ে দিলেন,

—বেড ১১১, কাল ডাক্তারবাবু অপারেশনের ডেট দিয়েছেন! চার বোতল বি-নেগেটিভ ব্লাড লাগবে! আর কিছু মেডিসিন, ওগুলো আমাদের হসপিটালে সাপ্লাই নেই, বাইরে থেকে আনাতে হবে৷ বাড়ির লোক এলে দেখা করতে বলবেন, ইটস্ আর্জেন্ট৷

—হ্যাঁ, বলব! বলব৷ কিন্তু কাকেই বা বলব!

নিজে নিজেই বিড়বিড় করছেন ভদ্রমহিলা! সেই মেকি আদুরে গলার স্বর উধাও, সম্পূর্ণ স্বাভাবিক একজন অসহায় মহিলা এখন মৌয়ের পাশে৷ দ্বিতীয়বার জিজ্ঞাসা করল মৌ,

—কেউ আসবেনা? কেউ তো আসবেন!

—হয়ত! জানিনা ঠিক! তবে আসা উচিৎ নয়৷

অবাক হল মৌ,

—কেন?

উঠে বসার ব্যার্থ চেষ্টা করে শুয়ে পড়লেন ভদ্রমহিলা, হাত দুটো বুকের কাছে জড়ো করে স্মৃতির অতলে হারিয়ে গেলেন,

—সারাজীবন স্বার্থপরের মত বেঁচেছি, কারও কোন সাহায্যে কখনও হাত বাড়াইনি, তাই আশা করছি এই মুহুর্তে ধরার মত কোনও হাত আমি পাবো না৷ অন্তত পাওয়া উচিত না৷

ক্লাস ফাইভ তখন, দাদা এইটে৷ আমার নতুন ব্যাগ কেনার জন্য যখন বাবা বাধ্য হয়ে দাদার ইংরেজি গ্রামার বইটা দোকানে ফেরৎ দিয়ে এসেছিলো, সেদিনই বুঝে গিয়েছিলাম যে আমি চাইলে অনেককেই বাধ্য করতে পারি! পেরেওছিলাম, অনেককে বাধ্য করেছিলাম অনেক কিছু করতে৷ স্বপন দা, বিভাস দা আর জয়ন্ত দা, এদের কাউকেই উচ্চমাধ্যমিক পাশ করতে দিইনি, আমি তখন নাইনে৷ নিজে যখন ট্যুয়েলভে উঠি, স্কুলের প্রতিটা ইঁট কাঠ পাথর আর ছেলেদের হাতের পাতায় আমার নাম লেখা৷ বিজয় স্যরের দোষ ছিল না কিছু, কিন্তু আমার মাথায় জেদ চেপে গিয়েছিল৷ প্র্যাক্টিক্যাল ল্যাব থেকে মাথা নিচু করে বেরিয়েছিলেন স্যর, ম্যানেজিং কমিটির কাছে লিখিত ক্ষমা চাইতে হয়েছিল৷ কলেজে, পার্ট ওয়ানের চেয়ে সাতাশ পার্সেন্ট নম্বর বেশি পেয়েছিলাম পার্ট টু’তে, শুধু একটাই শর্ত ছিল, ‘কন্ডোম ছাড়া করব’৷ তত দিনে বুঝে নিয়েছি, মেয়ে হওয়ার অনেক সুবিধা! একদিন একটা পুরুষের নীচে শুয়ে সারা জীবন সেই পুরুষের সমস্ত চাওয়া পাওয়াগুলোকে নিজের পায়ের তলায় চেপে রাখা যায়, খুব সহজেই৷

এর পরের গল্পগুলো খুবই সাধারন৷ দু-তিনটে বাংলা সিরিয়াল দেখলেই কমন পড়ে যাবে৷ কলেজ পাস করে পালিয়ে যাওয়া, ঐ মিডল ক্লাস লোকেরা যেটা বলে আরকি, পালিয়ে বিয়ে করা! করেছিলাম৷ ছেলেটাকে সত্যিই ভালো লেগে গিয়েছিল, ভাবলাম সংসার করা যাক! কদিন করলাম, আর ভালো লাগলোনা, বাড়িতে ফিরে এলাম৷ ওদিকে দাদার বিয়ে হয়ে গেছে, বৌদি দাদা বাবা আর আমি! সাংসারিক ঝামেলা শুরু, শেষ হয় বাবার সম্পত্তি সমান দুভাগ করে৷ মা ততদিনে মারা গেছেন, বাবা কে নিয়ে থাকতে শুরু করলাম৷ অনেক চেষ্টা করে বাবা দ্বিতীয় বার আমার বিয়ের সম্বন্ধ করল, বিয়ে করলাম৷ আর কি, সেই একঘেয়ে সংসার৷ শাশুড়িমার প্রচুর গয়না ছিল, আলমারিতে নগদ টাকার পরিমাণও নেহাত কম নয়, সেসব নিয়ে ডিভোর্স ফাইল করলাম৷ বরকে যে নপুংসক বানিয়ে দিলাম, সেটা প্রমাণ করার জন্য আদালত আমাকে সেক্স করে তথ্য পেশ করতে বলেনি৷ উপরি পেলাম খোরপোশের টাকা, নিজের একটা বাড়ি বানালাম৷ একাই থাকছিলাম, সাথে বাবা৷ কিছুদিন পর বাবা মায়ের কাছে চলে গেলেন, আমি একা৷

না, ঠিক একা না! দুটো পায়ের তলায় ততদিনে অনেককে এনে ফেলেছি৷ উঠতি নেতা, পুরানো নেতা! পক্ষ, বিপক্ষ, অফিসার, তার চেলা এমনকি নিজের দাদাকেও! না, দাদার বিরুদ্ধে শুধুই অভিযোগটুকু ছিল, ঘরে ঢুকে মারধোর আর শ্লীলতাহানীর চেষ্টার কেস৷ অবশ্য থানা পুলিশ পেরিয়ে কোর্ট পর্যন্ত যেতে হয়নি, বাড়ির পিছন দিকের পুকুরটা আমার নামে হয়ে যায়৷ ঐ পুকুরের পাড়েই দুটো কদম গাছ ছিল, নিজে দাঁড়িয়ে থেকে কেটে বিক্রি করেছি৷ সব ঠিক ছিল, শেষ বেলায় একটা ডাল ছিটকে এসে গায়ে লাগলো, তারপর কি হয়েছিল আর মনে নেই৷ এই এখানে এসে শুনলাম, ডাক্তারবাবু বলেছেন পেইনকিলার ইঞ্জেকশন কন্টিনিউ করতে৷ আগামীকাল অপারেশন করবেন৷’

এতখানি বলার পর ভদ্রমহিলা ক্লান্ত হয়ে শুয়ে পড়লেন৷ মৌ একদৃৃষ্টে লক্ষ করতে থাকে একটা শরীর, লোভ লালসা প্রতারণা ঘৃণা স্বার্থপরতা মেশানো একটা ক্লান্ত অবসন্ন রুগ্ন শরীর ঠিক তার পাশে শুয়ে, আপন কেউ নেই, মৃত্যূর প্রহর গুনে চলেছে৷ মরিয়া হয়ে জিজ্ঞাসা করে মৌ,

—কাল যদি কেউ আপনার ব্লাড, মেডিসিন না নিয়ে আসে তাহলে অপারেশন হবে কি করে?

উল্টোদিকে মুখ করে পাশ ফিরে শুয়ে ভদ্রমহিলা সেই একই রকম বিড়বিড় করে বললেন,

—কেউ তো আসবেই, কোন কিছুর বিনিময়ে হয়ত সব জোগাড় হয়ে যাবে৷ এতদিন তো তাই হয়ে আসছে৷

দেখভালের দায়ীত্বে থাকা আয়া মাসি এসে ধমক দিলেন,

—রাত হয়েছে, চুপচাপ ঘুমোন! আর বকবক করতে হবে না৷

ঘুম হয়নি, সারাটা রাত একটা ঘোরের মধ্যে কেটে গেল মৌয়ের! স্লিপিং পিল খেয়েও সারা রাত দুটো চোখের পাতা এক করতে পারেনি, যতবার পাশের বেডের দিকে তাকিয়েছে ততবারই মনে হয়েছে দুনিয়ার সমস্ত নোংরা বোধয় ঐ শরীরটায় জমা হয়ে আছে৷ আবার পরক্ষনেই মনে হয়েছে, এই মুহুর্তে শরীরটা জুড়ে শুধুই হতাশা অসহায়তা!

নিজের মনের সাথে নিজের দ্বন্দে রাত শেষ হয়ে সকাল হয়৷ সিস্টার এসে হাতের চ্যানেল খুলে দিয়ে গেছেন, ওদিকে বাড়ির লোক এসে হসপিটালের ফর্মালিটি মেনটেন করছেন৷ ভিজিটিং আওয়ার শুরু দশটা থেকে, সাড়ে’দশটায় হসপিটাল রিলিজ করবে মৌ’কে৷ যা কিছু কাগজপত্র, ওষুধের প্যাকেট, নিজের জামাকাপড় গুছিয়ে রেখে দিয়ে গেছেন আয়া মাসি৷ মৌ বাড়ি যাবার জন্য রেডি, কিন্তু অদ্ভুত ভাবে কেমন যেন একটা পিছুটান অনুভব হচ্ছে ভীষণ! পাশের বেডের ভদ্রমহিলা গতকাল রাত থেকে সেই যে উল্টোদিকে মুখ করে শুয়েছেন, সকাল বেলাতেও মুখ ফেরান নি৷ একটা আশঙ্কা ক্রমশ মৌয়ের বুকে পাথরের মত চেপে বসছে, অপারেশন কিভাবে হবে?

ঘড়ির কাঁটা দশটা পাঁচ, মৌয়ের স্ট্রেচার রেডি৷ হসপিটালের লোক আসবে একটু পরেই, তারপরেই বাড়ির পথে রওনা৷ পিঠের যন্ত্রনা নিয়েই কষ্ট করে উঠে বসলো মৌ৷

ঘড়ির কাঁটায় দশটা দশ, মাথায় অনেকটা বড় করে ঘোমটা টানা আটপৌরে কাপড় পড়া এক ভদ্রমহিলা এসে থমকে দাঁড়ালেন মৌয়ের সামনে এসে! মৌয়ের দিকে একপলক তাকিয়েই এগিয়ে গেলেন পাশের বেডে৷ মৃদু স্বরে ডাক দিলেন,

—দিদি!

এতক্ষন উল্টোদিকে মুখ ফিরিয়ে শুয়ে থাকা ভদ্রমহিলা চমকে উঠে ফিরে তাকালেন৷ মৌ স্পষ্ট উপলব্ধী করল, ভদ্রমহিলার দুই চোখে অপার বিষ্ময়! ততক্ষনে ভিজিটে আসা দ্বিতীয় মহিলাটি পরম যত্নে তাঁকে তুলে ধরে বসানোর চেষ্টা করছেন৷ অনেক কষ্টে উঠে বসলেন পেশেন্ট, দ্বিতীয় মহিলা বলে চলেছেন,

—চার বোতল রক্ত লাগবে বলল! আপনার দাদা তিনটে কার্ড জোগাড় করেছে, আর নিজে এক বোতল দেবে৷ যা যা ওষুধ বলেছিল ডাক্তার, সে সব নিয়ে চলে এসেছি৷ পঞ্চাশ হাজার টাকা জমা করতে হল, অপারেশনের আগে৷ পরে আরও লাগতে পারে, সে আপনাকে চিন্তা করতে হবে না৷ আপনার দাদা আছে, আমরা আছি, সব ঠিক হয়ে যাবে৷

পেশেন্ট ভদ্রমহিলার গলার স্বর অদ্ভুত রকমের ঠান্ডা,

—কি চাই?

দ্বিতীয় ভদ্রমহিলা পলিথিনের প্যাকেট থেকে একটা ফাইল বের করে বললেন,

—সই৷ এই কাগজগুলোতে…

পেশেন্ট ভদ্রমহিলা বসে যাওয়া গলায় হিস হিস করে উঠলেন,

—আমি মরলে তো সব তোমাদেরই হবে! এখনই এত তাড়া কিসের?

প্রথম ভদ্রমহিলা হেসে ফেললেন,

—এত তাড়াতাড়ি মরলে কি হয় দিদি? যে জ্বালাটা আমরা সহ্য করেছি, তার দ্বিগুন জ্বালা আপনাকে না দেওয়া পর্যন্ত যে শান্তি পাবো না৷

পেশেন্ট ভদ্রমহিলা নিশ্চুপ৷ কাঁপা কাঁপা হাতে পর পর কয়েকটা সই করে দীর্ঘশ্বাস ফেললেন৷ আটপৌরে ভদ্রমহিলা চলে যেতে গিয়েও ঘুরে দাঁড়ালেন৷ সেই একই ভাবে গলা নামিয়ে ফিসফিস করে বলে উঠলেন,

—রাজা মন্ত্রী সৈন্য সব তোমার হাতে ছিল দিদি, শুধু খেয়াল করনি যে একটা ঘোড়া আমার হাতেও ছিল৷ আড়াই চাল থেকে বেরিয়ে আসা এতটা সোজা নয় দিদি, আমিও মেয়ে৷ সুস্থ হয়ে বাড়ি চলো, আমার চাল দেওয়া এখনও বাকি আছে৷

রুম থেকে স্ট্রেচারে করে বাইরে বেরিয়ে এল মৌ, ডাক্তারবাবু সেই রুমে ঢুকে বললেন,

—বেড ১১১, অপারেশন বিকেল তিনটেয়৷

©DipenBhunia, চন্দ্রকোনা৷

চিত্র সৌজন্য : গুগল

আপনার রেটিং দিন:
[Total: 1 Average: 5]
আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন:

রেটিং ও কমেন্টস জন্য



নতুন প্রকাশিত